🏛️ Barddhaman Raj Bari — ইতিহাস ও ঐতিহ্য
বর্ধমান রাজবাড়ির দুর্গাপুজো "পটেশ্বরী পুজো" নামে পরিচিত, যা মহারাজা মহাতাবচাঁদের (১৮২০–১৮৭৯) আমলে শুরু হয় বলে জানা যায়। রাজবাড়ির লক্ষ্মীনারায়ণ জিউ ঠাকুরবাড়িতে নারায়ণ শিলা থাকার কারণে মূর্তি পুজোর অনুমতি ছিল না — তাই দেবী দুর্গাকে পটে (কাপড়ে আঁকা ছবিতে) পূজা করার রীতি চালু হয়, আর সেই থেকেই এই পুজোয় প্রতিমা বিসর্জনের প্রথা নেই। রাজপরিবারের কুলদেবী হিসেবে দেবী এখানে চণ্ডীরূপে পূজিতা।
ℹ️ এই পাতার ঐতিহাসিক তথ্য প্রকাশিত সূত্র থেকে সংগৃহীত এবং সাধারণ বিবরণ — নির্ভুলতার জন্য মন্দির/রাজপরিবার কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় ইতিহাসবিদদের সাথে যাচাই করে নেওয়াই ভালো। এখানে কোনো বছর-ভিত্তিক আনুমানিক থিম বসানো হয়নি — এটি রাজপরিবারের বহু পুরনো ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুসরণ করে — সার্বজনীন ক্লাবের মতো প্রতি বছর বদলানো থিম এখানে হয় না।
📋 মূল তথ্য
- নাম: Barddhaman Raj Bari
- এলাকা: বর্ধমান রাজবাটি চত্বর, বর্ধমান
- বিশেষত্ব: পটেশ্বরী দুর্গা — মূর্তি নয়, পটে আঁকা দেবী, যাঁকে কখনও বিসর্জন দেওয়া হয় না
- প্রবেশমূল্য: সাধারণত বিনামূল্যে (দর্শনার্থী নিয়ম স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন)
🗓️ দুর্গাপুজো ২০২৬ তারিখ (সাধারণ পঞ্জিকা অনুযায়ী)
*এই ঐতিহ্যবাহী পুজোর নিজস্ব রীতি অনুযায়ী কিছু আচার ভিন্ন দিনে হতে পারে — বিস্তারিত সময়সূচি কর্তৃপক্ষের থেকে যাচাই করুন।
📍 কীভাবে যাবেন — বর্ধমান রাজবাটি চত্বর, বর্ধমান
- 🚆 ট্রেন: বর্ধমান জংশনে নেমে অটো বা টোটোয় যাওয়া যায়
- 🚌 বাস: বর্ধমান বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত বাস/টোটো পাওয়া যায়