🏛️ Sarbamangala Temple, Bardhaman — ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমান রাজ পরিবারের কুলদেবীর মন্দির, ১৭০২ সালে মহারাজা কীর্তিচাঁদ রায় এটি নির্মাণ করেন। দেবী সর্বমঙ্গলাকে দুর্গারই এক রূপ, মহিষাসুরমর্দিনী হিসেবে পূজা করা হয় — সিংহবাহিনী, আঠারো হাত বিশিষ্ট প্রস্তরমূর্তি। কথিত আছে, দামোদর নদের বালুচর থেকে এই মূর্তি পাওয়া গিয়েছিল। এটি অবিভক্ত বাংলার প্রথম নবরত্ন (নয় চূড়া) মন্দির হিসেবে পরিচিত। পূর্ব বর্ধমান জেলার শারদোৎসব প্রথাগতভাবে এই মন্দিরের ঘটস্থাপনার মধ্য দিয়েই শুরু হয় — বাদ্যযন্ত্র সহযোগে এক বিশাল শোভাযাত্রা ঘোড়ায় টানা গাড়িতে দেবীর ঘট নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছয়।
ℹ️ এই পাতার ঐতিহাসিক তথ্য প্রকাশিত সূত্র থেকে সংগৃহীত এবং সাধারণ বিবরণ — নির্ভুলতার জন্য মন্দির/রাজপরিবার কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় ইতিহাসবিদদের সাথে যাচাই করে নেওয়াই ভালো। এখানে কোনো বছর-ভিত্তিক আনুমানিক থিম বসানো হয়নি — এটি একটি স্থায়ী প্রাচীন মন্দির — আধুনিক সার্বজনীন পুজোর মতো বছর-ভিত্তিক পরিবর্তনশীল থিম এখানে প্রযোজ্য নয়।
📋 মূল তথ্য
- নাম: Sarbamangala Temple, Bardhaman
- এলাকা: ডি.এন. সরকার রোড, বর্ধমান
- বিশেষত্ব: বর্ধমান রাজ পরিবারের কুলদেবী, অবিভক্ত বাংলার প্রথম নবরত্ন মন্দির
- প্রবেশমূল্য: সাধারণত বিনামূল্যে (দর্শনার্থী নিয়ম স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন)
🗓️ দুর্গাপুজো ২০২৬ তারিখ (সাধারণ পঞ্জিকা অনুযায়ী)
*এই ঐতিহ্যবাহী পুজোর নিজস্ব রীতি অনুযায়ী কিছু আচার ভিন্ন দিনে হতে পারে — বিস্তারিত সময়সূচি কর্তৃপক্ষের থেকে যাচাই করুন।
📍 কীভাবে যাবেন — ডি.এন. সরকার রোড, বর্ধমান
- 🚆 ট্রেন: বর্ধমান জংশনে নেমে অটো বা টোটোয় যাওয়া যায়
- 🚌 বাস: বর্ধমান বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত বাস/টোটো পাওয়া যায়